Tuesday, May 22, 2018

ডিজিটাল বই বা E-Books (প্রাক প্রাথমিক শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত)

এখন প্রায় সকল শ্রেণির বইয়েরই ডিজিটাল সংস্করণ বা ই-বুক পাওয়া যায়। ই-বুকের সবচেয়ে ভালো দিক হলো, এটি ছিড়বে না এবং নষ্টও হবে না। যখন যেখানে খুশি সেখানেই এটি পড়া যায় যেকোন স্মার্ট ফোন, ট্যাব ই-বুক রিডার এবং কম্পিউটারের সাহায্যে। আপনাদের জন্য প্রাক প্রাথমিক শ্রেনি থেকে শুরু করে দশম শ্রেনি পর্যন্ত সকল বইয়ের ডিজিটাল সংস্করণ বা ই-বুকের ডাউনলোড লিংক দিলাম । যার যে শ্রেণির বই দরকার সে শ্রেণির বইয়ের নামের উপরে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিন। 
প্রাক প্রাথমিক শ্রেণির সকল ই-বুক

আমার বই

প্রথম শ্রেণির সকল ই-বুক

আমার বাংলা বই                                   গনিত                               English For Today

দ্বিতীয় শ্রেণির সকল ই-বুক

আমার বাংলা বই                                   গনিত                               English For Today

তৃতীয় শ্রেণির সকল ই-বুক

আমার বাংলা বই        প্রাথমিক গনিত       English For Today       বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

  প্রাথমিক বিজ্ঞান        ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা        হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা   

চতুর্থ শ্রেণির সকল ই-বুক

আমার বাংলা বই       প্রাথমিক গনিত     English For Today     বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় 

 প্রাথমিক বিজ্ঞান          ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা        হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা     

পঞ্চম শ্রেণির সকল ই-বুক

আমার বাংলা বই       প্রাথমিক গনিত     English For Today     বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়  

প্রাথমিক বিজ্ঞান            ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা         হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা     

ষষ্ঠ শ্রেণির সকল ই-বুক

আনন্দ পাঠ     English For Today     English Grammar and Composition  

   বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়       ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা     হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা 

  চারু ও কারুকলা        ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির ভাষা ও সংস্কৃতি      কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা 

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি         গনিত        কৃষিশিক্ষা          গার্হস্থ্য বিজ্ঞান 

 বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি     বিজ্ঞান      চারুপাঠ       শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

সপ্তম শ্রেণির সকল ই-বুক

 English For Today      বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি     English Grammar and Composition 

কৃষিশিক্ষা            সপ্তবর্ণা             আনন্দপাঠ             বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়      

 ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির ভাষা ও সংস্কৃতি       গনিত        কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা 

 তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি         ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা         হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা 

  গার্হস্থ্য বিজ্ঞান              বিজ্ঞান             চারু ও কারুকলা              শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য 

অষ্টম শ্রেণির সকল ই-বুক

সাহিত্য কণিকা                English For Today            বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি   

 English Grammar and Composition             গনিত           বিজ্ঞান           কৃষিশিক্ষা

   বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়           গার্হস্থ্য বিজ্ঞান                ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা 

হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা          তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি             কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা 

চারু ও কারুকলা                   শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য                 আনন্দ পাঠ     

 নবম ও দশম শ্রেণির সকল ই-বুক

   বাংলা ভাষার ব্যাকরণ             বাংলা সহজপাঠ         বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা 

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়        ভূগোল ও পরিবেশ       ক্যারিয়ার শিক্ষা          চারু ও কারু 

 শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা       রচনা সম্ভার        বিজ্ঞান        পদার্থ বিজ্ঞান  
 
 ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা        হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা       তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

উচ্চতর গনিত       গার্হস্থ্য বিজ্ঞান         ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং       পৌরনীতি ও নাগরিকতা

খ্রিষ্টধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা       বৌদ্ধধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা    জীববিজ্ঞান   ব্যবসায় উদ্যোগ

হিসাববিজ্ঞান         English For Today       English Grammar and Composition  

বাংলা সাহিত্য       রসায়ন        গনিত          কৃষিশিক্ষা         অর্থনীতি



আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিন
প্রতিদিনের  আপডেট আপনার টাইমলাইনে পাবার জন্য ।


All Rights Reserved by
https://mozammelhr.blogspot.com

Wednesday, May 16, 2018

কেন স্মার্টফোন গরম হয় এবং এর প্রতিকার কি ?


প্রযুক্তিনির্ভর এই বর্তমান যুগে আমরা প্রায় সবাই স্মার্টফোন (Android, I.O.S, Blackberry বা অন্যান্য) ব্যবহার করে থাকি । স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে লক্ষনীয় অন্যতম একটি বড় সমস্যা হলো, এটি ব্যবহারের মাঝখানে খুবই গরম হয়ে যায়। স্মার্টফোন গরম হওয়ার বেশ কিছু কারণও আছে। কোন কোন ক্ষেত্রে গরম হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। তবে অতিরিক্ত গরম হওয়া আপনার এবং আপনার স্মার্টফোন উভয়ের জন্যই বিপদের কারণ হতে পারে। স্মার্টফোনের অভ্যন্তরীণ ডিসফাংশনের কারনে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। যদি প্রতিকার না জানেন তাহলে এ থেকে বড় ধরনের সমস্যাও হতে পারে। ইদানিং শোনা যাচ্ছে যে, স্মার্টফোন ব্লাষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে পর্যন্ত যেতে হচ্ছে। এজন্য আমাদের স্মার্টফোন অতিরিক্ত গরম হবার কারণ এবং সমাধান জানা খুবই জরুরী।


কতটুকু গরম হওয়া স্বাভাবিক
আপনার ফোন কম দামি বলে বেশি গরম হয়, তা ঠিক নয়। এটা স্বাভাবিক যে, অনলাইনে কাজের সময় কিংবা অন্য কোন কাজের সময় বা গেম খেলার সময় আপনার স্মার্টফোন ত্রিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত গরম হতেই পারে। শুধু খেয়াল রাখবেন যে, ষ্ট্যান্ডবাই অবস্থাতেও আপনার স্মার্টফোনটি যদি পঁয়ত্রিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয় তবে ধরেই নিতে হবে আপনার স্মার্টফোনটি ডিসফাংশন করছে।
প্রসেসর
স্মার্টফোন গরম হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হচ্ছে প্রসেসর গরম হওয়া। আপনাদের অনেকেই হয়তো এটা জানেন স্মার্টফোন এবং কম্পিউটারের মূল অঙ্গ হচ্ছে প্রসেসর। প্রসেসর এমনই একটি গুরত্বপূর্ণ অংশ যা সবসময় কাজ করে থাকে এবং একে সার্বক্ষনিক কাজ করেই যেতে হয় তাতে আপনি আপনার ফোনটি ব্যবহার করেন আর নাই করেন। প্রসেসর সার্বক্ষনিক সচল থাকার কারণে স্মার্টফোনের ধাতব বডির সঙ্গে লাগানো থাকে যার ফলে তাপ অনুভব হয়।
ফোনের ব্যাটারি
এখন প্রায় সব মোবাইল কোম্পানীগুলোই পাতলা মোবাইল তৈরি করছে। পাতলা মোবাইল তৈরির এক ধরনের প্রতিযোগীতা চলছে কোম্পানীগুলোর মধ্যে। এসব মোবাইল পাতলা এবং দেখতে খুব সুন্দর হলেও এসব ফোনের ব্যাটারির প্রযুক্তি তেমন একটা উন্নত হয়নি। ব্যাটারি যত বেশি দুর্বল হবে আপনার ফোনও ততো বেশি তাপ উৎপন্ন করবে। ব্যাটারি চার্জ নেওয়ার সময় এবং চার্জ হওয়ার পরে কাজ করার সময়ও ফোন বেশি গরম হয়ে থাকে।
ফোনের বা সিম সেবাদাতার দূর্বল নেটওয়ার্ক
স্মার্টফোন গরম হওয়ার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে দুর্বল নেটওয়ার্ক। আপনার ফোনটিতে যদি দুর্বল নেটওয়ার্ক থাকে তখন সিগনাল বারে বারে যায় এবং আসে। দুর্বল নেটওয়ার্কের জন্য ফোনে বেশি চাপ পরে যার ফলে স্মার্টফোন অত্যধিক গরম হয়ে থাকে।  ওয়াইফাই ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বেশিরভাগ সময় নেটওয়ার্কের উঠানামা খুবই লক্ষনীয়।
স্মার্টফোনের অতিরিক্ত গরম হওয়া থেকে মুক্তির উপায়
ফোনে যাতে সবসময় চার্জ থাকে এটা নিশ্চিত করতে হবে। মাল্টি টাস্কিং থেকে বিরত থাকুন। একাধিক এ্যাপ একসঙ্গে ব্যবহার করাই হলো মাল্টিটাস্কিং। ফোনে থাকা কোন এ্যাপ যদি আপনার কখনোই কাজে লাগে না অথচ আপনার ফোনে ইনষ্টল হয়ে আছে এধরনের এ্যাপ আনইনষ্টল করে দিন। কারণ যত বেশি এ্যাপস ইনষ্টল করবেন আপনার ডিভােইসের র‌্যাম ও প্রসেসরের উপর তত বেশি চাপ পড়ে। ফোনের অতিরিক্ত এ্যাপস ব্যাকগ্রাউন্ডে বেশি জায়গা নিয়ে নিচ্ছে কিনা সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। স্মার্টফোন বেশি ব্যবহার করলে বা ফোনে অতিরিক্ত গেমস খেললে যে গরম হবেই এটা একেবারে সঠিক নয়। RAM ও Cached Data সবসময় পরিস্কার রাখুন যা আমি পূর্বের পোষ্টে আপনাদেরকে বিস্তারিত জানিয়েছি। অপ্রয়োজনীয় ম্যাসেজ ও মেইল ডিলিট করুন। ফোনে কোনো এ্যানিমিশন বা লাইভ ওয়ালপেপার চালু থাকলে বন্ধ করুন। স্মার্টফোনে চামড়ার কভার ব্যবহার করুন। বাহিরের তাপে যেন ফোন গরম হয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সবসময় Mobile Data  চালু করে রাখা উচিৎ নয় বিশেষ করে যখন আপনার ফোনটি চার্জ নিচ্ছে । কাজ শেষে Mobile Data অফ করে রাখুন। দূর্বল ওয়াই ফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। মোবাইলের ইন্টারনাল ষ্টোরেজ বা অভ্যন্তরীণ মেমোরী যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করুন। 


নিয়মিত আপডেট তথ্য পেতে আমার  ইউটিউব চ্যানেলটি  SUBSCRIBE করুন  আমার ইউটিউব চ্যানেল
এবং
আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিন
প্রতিদিনের  আপডেট আপনার টাইমলাইনে পাবার জন্য ।


All Rights Reserved by
https://mozammelhr.blogspot.com

Thursday, May 10, 2018

এ্যান্ড্রয়েড ফোনের কিছু সমস্যা ও তার সমাধান

মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের একটি বড় অংশই এখন টেক জায়ান্ট গুগল উদ্ভাবিত এ্যান্ড্রয়েডের দখলে। প্রায় ৯০% বা অধিক মোবাইল ব্যবহারকারীরই প্রথম পছন্দ হলো এ্যান্ড্রয়েড। এখন তো বাজারে ট্যাবলেট কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ এমনকি টেলিভিশনও এ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের পাওয়া যায়। অত্যন্ত সহজ পদ্ধতির কারনে এ অপারেটিং সিষ্টেমটি সবার মন জয় করে নিয়েছে অনায়াসেই। এ্যান্ড্রয়েড সিষ্টেম চালিত ডিভাইসগুলোর চালনা পদ্ধতি এতই সহজ যে, একজন অন্ধ ব্যক্তিও বিশেষ এ্যাপ বা ডিভাইসের বিল্টইন ফিচার ব্যবহার করে কারো সাহায্য ছাড়াই এটি অনায়াসে ব্যবহার করতে পারবে। সহজ পদ্ধতি হওয়া স্বত্বেও অ্যান্ড্রয়েড ফোনের কিছু সেটিংস যা যেকোন ব্যবহারকারীই ইচ্ছা করলে সমাধান করতে পারেন কিন্তু এগুলো আসলে তেমন কেউই বুঝে উঠতে পারেন না বা বুঝতে চান না। একটু চেষ্টা করলেই এসব সেটিংস নিজেই করা সম্ভব। যাই হোক অ্যান্ড্রয়েড ফোনের কিছু সমস্যা ও তার সমাধান তুলে ধরলাম এবারের পোষ্টে। আপনার ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ এখন থেকে আপনারই হাতে থাকবে আশা করছি।
  • সমস্যাঃ apps install হচ্ছে না......
  • সমাধানঃ ফোনের Settings এ গিয়ে Security তে ক্লিক করুন। তারপর নিচের দিকে Unknown Sources এর ডান পাশের বাটনটি অন করে দিন এবং ওকে করুন। উদাহরণস্বরুপ ছবি দিলাম..

  • এছাড়া এ্যাপস ইনষ্টল না হওয়ার আরও অনেক কারন থাকতে পারে। যদি কোন এ্যাপ ইনষ্টল করার সময় Insufficient Space আসে তাহলে প্রথমে Cached Memory পরিষ্কার করুন তারপর এ্যাপটি ইনষ্টল করুন দেখবেন এবার হবে। 
  • সমস্যাঃ গ্যালারীতে ছবি বা ভিডিও দেখা যাচ্ছে না বা প্লে হচ্ছে না.....
  • সমাধানঃ এটা কোন সমস্যাই নয়। আপনার ডিভাইসটি Re-start অথবা Reboot করুন এবং গ্যালারী ওপেন করুন পূর্বের ন্যায় সব ওপেন হবে।
  • সমস্যাঃ এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ফাইল ট্রান্সফার করা যাচ্ছে না.....
  • সমাধানঃ ফাইল ট্রান্সফারের পূর্বে আপনার ডিভাইসটির সেটিংস অপশনে গিয়ে Location চালু করে দিন তারপর ফাইল ট্রান্সফার করুন দেখবেন তাড়াতাড়ি ফাইল ট্রান্সফার শুরু হয়ে গেছে।
  • সমস্যাঃ কীবোর্ড চেঞ্জ করতে পারছি না........
  • সমাধানঃ Settings এ গিয়ে Language and Input এ ক্লিক করে Current Keyboard এ ক্লিক করুন তারপর কাংখিত কিবোর্ড এ টিক দিয়ে বের হয়ে আসুন।  যদি তাতে না হয় তাহলে Choose Keyboard এ ক্লিক করে কাংখিত কিবোর্ড এর ডান পাশে অন করে দিন। নিচের ছবির মত...



আরও কিছু সমস্যা ও তার সমাধান পরবর্তীতে আপডেট করা হবে। আপনাদের কোন জিজ্ঞাসা থাকলে কমেন্টে জানাবেন সমাধান দেব ইনশাআল্লাহ।



নিয়মিত আপডেট তথ্য পেতে আমার  ইউটিউব চ্যানেলটি  SUBSCRIBE করুন  আমার ইউটিউব চ্যানেল
এবং
আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিন
প্রতিদিনের  আপডেট আপনার টাইমলাইনে পাবার জন্য ।

All Rights Reserved by
https://mozammelhr.blogspot.com

Sunday, May 6, 2018

অনলাইনে সুরক্ষিতভাবে এবং আজীবনের জন্য কীভাবে তথ্য সংরক্ষন করবেন

আমরা প্রত্যেকেই কোন না কোন ডিভাইস ব্যবহার করি। কেউ এ্যান্ড্রয়েড, কেউ আইওএস, কেউ ল্যাপটপ বা কেউ ডেক্সটপ ব্যবহার করি। এসব ডিভাইসগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মেমোরী। এই মেমোরী এক সময় পূর্ণ হয়ে যায়। তখনই খুব কষ্ট লাগে যখন একটা গুরুত্বপূর্ণ একটি ফাইল ডাউনলোড করা দরকার কিন্ত ডিভাইস মেমোরি এবং এক্সটার্নাল ষ্টোরেজ একেবারেই পূর্ণ এবং ১০ মেগাবাইট মেমোরীও জায়গা খালি নেই। কিন্তু আপনার দরকার কমপক্ষে ১০০ মেগাবাইট জায়গা। আবার ডিভাইসে থাকা যেসব কন্টেন্টস আছে তাও ডিলিট করতে পারছেন না, সবই দরকার। এমতাবস্থায় তো মাথার চুল টেনে টেনে ছেড়া ছাড়া আর কিছু মনে আসে না, তাই না ? এবারের পোষ্টে আমি এ বিষয়েই আলোচনা করব। 
  • প্রথমেই একটা শর্ট টেকনিক বলে নেই যা আগের একটি পোষ্টে আমি বিস্তারিত বুঝিয়ে দিয়েছি। সেটি হল আপনার জরুরী ভাবে ১০০ বা ১৫০ মেগাবাইট জায়গা দরকার এবং না হলেই নয় সেক্ষেত্রে আপনার ডিভাইসের Cached Data খালি করুন। দেখবেন আপাতত আপনার কাজ হয়ে হয়ে যাবে। 
  • এখন তো জরুরী অবস্থা মোকাবেলা করলেন কিন্তু আসল সমাধান তো হল না, তাই না ? আপনার ডিভাইসটি যদি এ্যান্ড্রয়েড হয় তাহলে আপনার এ্যাপস গুলির মধ্যে একটি বিশেষ এ্যাপ আছে যেটির নাম হল Google Drive বা Drive. এটি বর্তমানে প্রায় সব এ্যন্ড্রয়েড ডিভাইসে দেখা যায়। এটি একটি ক্লাউড ড্রাইভ বা ষ্টোরেজ । যদি কারো ডিভাইসে এটি না থাকে তাহলে Play Store থেকে ডাউনলোড করে নিবেন। কারন এতে ১৫ গিগাবাইট সমপরিমান গান, ভিডিও, ফাইল বা যেকোন ডকুমেন্ট সেভ করে রাখা যায় তাও আজীবনের জন্য। এজন্য আপনাকে কোনা টাকা দেয়া লাগবে না। পুরো ১৫ গিগাবাইট ফ্রি পাবেন যদি আপনার একটা জিমেইল একাউন্ট থাকে। ডিভাইসে যদি জিমেইল লগইন করা থাকে তাহলে Drive এ ক্লিক করার সাথে সাথেই অটো লগইন হয়ে যাবে। এবার আপনার মোবাইলে থাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এতে আপলোড দিয়ে রেখে দিতে পারেন। আপনি যখন খুশি তখন ই সেগুলো ওপেন করে কাজে লাগাতে পারবেন। এমনকি কাউকে দিতে চাইলে অনলাইনেই তা দিয়ে দিতে পারবেন। শুধূ ফাইলটির লিংকটি দিলেই হয়ে যাবে। যাকে ফাইলটি দিতে চাচ্ছেন সে যদি আমেরিকাতেও থাকে তাতেও কোন সমস্যা নেই। আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই যান না কেন আপনার ড্রাইভ আপনার সাথেই থাকবে। আপনার যে মোবাইল বা কম্পিউটারের মাধ্যমে আপনি আপনার তথ্য বা ডকুমেন্ট আপলোড দিয়েছিলেন তা যদি নাও থাকে তাতে কি আপনার তথ্য তো ড্রাইভে সংরক্ষিত রয়েছে। আপনি জিমেইল লগইন করে আপনার ড্রাইভে সহজেই আপনার সংরক্ষন করে রাখা তথ্য খুজে নিতে পারবেন।
  •  শুধু Google Drive বা Drive নয় বর্তমানে অনলাইনে তথ্য সংরক্ষন করে রাখার জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান এধরনের ফ্রি ক্লাউড ড্রাইভের সেবা দিয়ে থাকে। যেমন Microsoft One Drive, Drop Box সহ খ্যাতনামা অনেক ওয়েবসাইটেরই এ ধরনের ফ্রি সেবা রয়েছে। যাতে আপনি খুব সহজেই এর সদস্য হয়ে ফ্রি তথ্য জমা রাখার ক্লাউড ষ্টোরেজ সেবা ব্যবহার করতে পারেন। এসব ওয়েবসাইট গুলো খুবই সিকিউর সাইট। আপনার কোন ডকুমেন্ট বেহাত হবার কোন ভয় নেই।


নিয়মিত আপডেট তথ্য পেতে আমার  ইউটিউব চ্যানেলটি  SUBSCRIBE করুন  আমার ইউটিউব চ্যানেল
এবং
আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিন
প্রতিদিনের  আপডেট আপনার টাইমলাইনে পাবার জন্য ।


All Rights Reserved by
https://mozammelhr.blogspot.com

Friday, May 4, 2018

E-Mail ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেসকল সাবধানতা অবলম্বন করা অপরিহার্য

Android mobile, Computer,  Laptop এবং Internet এর সহজলভ্যতার কারণে এখন আমাদের দেশের অনেকেই E-mail সম্পর্কে জানে। বিশেষ করে যারা Android mobile ব্যবহার করেন তারা তো ভাল করেই জানেন যে, একটা G-Mail একাউন্ট তাদের কতটা দরকার। G-Mail একাউন্ট ছাড়া তো তার মোবাইলে ব্যবহৃত কোন Apps কে Update করা পুরোপুরি অসম্ভব। এমনকি আপনার Android  মোবাইলের Play Store কে আপডেট দিতে এবং মোবাইলটির Default Software টি Update দিতে হলেও G-Mail একাউন্ট দরকার। বিভিন্ন সোসাল মিডিয়া থেকে শুরু করে মাষ্টার কার্ড, ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ড, ই-ব্যাংকিং, ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশন, অনলাইনে চাকরির দরখাস্ত সহ আরও বহু ক্ষেত্রে এই E-mail এর ব্যবহার বর্তমানে বাধ্যতামূলক। E-mail ব্যবহার করে কোন প্রকার মোমোরি কার্ড বা হার্ডডিস্কের জায়গা নষ্ট না করেই ক্লাউড ষ্টোরেজে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেমন ছবি, ভিডিও, গান কিংবা বিভিন্ন ধরনের ফাইল আজীবনের জন্য সংরক্ষন করে রাখা সম্ভব। বহুবিধ সুবিধা প্রদানকারী এই সেবাটি আমাদের আধুনিক জীবনধারাকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। কিন্তু এই E-mail ব্যবহারে আপনার সামান্য অবহেলা বা অসচেতনতার কারণে আপনি এমন বিপদে পড়তে পারেন যা হয়তো আপনি কোনদিন কল্পনাও করেননি। এমনও হতে পারে আপনার মোবাইলটি বা কম্পিউটারটি আপনার অজান্তেই অন্যের দখলে রয়েছে যা আপনি টেরই পাননি এমনকি কোনদিন জানতেও পারবেন না হয়তো। আপনি আপনার প্রাণপ্রিয় Android mobile টিকে সামনে রেখে কাজ করছেন ডিসপ্লে স্ক্রিণ বন্ধ, আপনি তো আপনার স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন কিন্তু আপনার অজান্তে আপনার ভিডিও তৈরী করে পরবর্তীতে আপনাকে ব্লাকমেইল করতে পারে কোন বিশেষ চক্র। আপনার মোবাইল বা ল্যাপটপ বা ট্যাব যেন আপনারই শত্রুরুপে চালিত হচ্ছে। আবার আপনার মেইল এ্যড্রেসকে ব্যবহার করে সন্ত্রাসী কার্যকলাপও চালাতে পারে। আপনার হয়তো এ কথা বিশ্বাস নাও হতে পারে তবে এটা যার জীবনে ঘটেছে বা ঘটবে সে জানে বা জানতে পারবে যে, এ অভিজ্ঞতা কতটা ভয়াবহ। আপনার সচেতনতার অভাবে আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে থাকা তথ্য, ছবি, অফিসিয়াল ডকুমেন্ট এমনকি আপনার একান্ত ব্যক্তিগত গোপনীয় কোনকিছু যা অন্যকারো হাতে চলে গেলে আপনার জীবনটা এলোমেলো হয়ে যেতে পারে মুহূর্তেই। E-mail ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনি যদি কয়েকটি বিষয়ে সাবধান থাকেন তবে এধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পাবেন বলে আমি আশা করি। 
  • শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। অনেকেই তাদের জিমেইলে খুব সহজ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন । যেমন ১২৩৪৫৬, ২২২৪৪৪, ১১১২২২ আবার কেউ কেউ তো তাদের মোবাইল নাস্বারটাই পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করেন মনে রাখার সুবিধার্থে। পাসওয়ার্ড এমন হওয়া উচিৎ যাতে সহজে কেউ অনুমান করতে না পারে। সর্বনিন্ম ৮ সংখ্যার পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিৎ। এবং পাসওয়ার্ডের প্রথম দুই সংখ্যা ইংরেজী বড় বা ছোট হাতের অক্ষর ব্যবহার করতে পারলে খুবই ভাল। উদাহরণস্বরুপ rx63848899 এ পাসওয়ার্ডটি কিন্তু সহজে কেউ অনুমান করতে পারবে না।
  • আপনার জিমেইল যদি অন্য কোন কম্পিউটারে বা মোবাইলে বা ট্যাবে সাইন ইন করেন তাহলে অবশ্যই কাজ শেষে সাইন আউট করতে ভূলবেন না। আর এটাও খেয়াল রাখবেন যে, আইন ইন করার সময় রিমেম্বার পাসওয়ার্ড আসলে সেখানে নট নাউ অথবা নো তে ক্লিক করতে হরে। এটা যদি না করেন তাহলে ঐ ডিভাইসে আপনার ইমেইলের সকল লগইন ডিটেইলস সেভ হয়ে থাকবে এবং ডিভাইসটি যে ব্যবহার করছে সে চাইলে আপনার জিমেইল বা ইমেইল একাউন্টটি ব্যবহার করতে পারবে যেকোন ধর্মীয় বা রাজনৈতিক ‍উষ্কানীমূলক কর্মকান্ডে।
  • জিমেইল বা ইমেইল এর Spam ফোল্ডারের কোন অপরিচিত ম্যাসেজে ক্লিক করবেন না। আর Spam ফোল্ডার কিছুদিন পরপর খালি করে ফেলবেন। অনেক আক্রমনকারীরা জিমেইল বা E-mail ব্যবহারকারীদেকে Spam ম্যাসেজ পাঠিয়ে ওৎ পেতে থাকেন যাতে ঐ ব্যবহারকারী কবে ম্যাসেজে ক্লিক করে। ক্লিক করেছেন তো যেকোন একটি বিপদে পড়বেন নিশ্চিত।
  • ওয়েব সাইট ব্রাউজিং এর সময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিৎ। সব সময় Trusted ওয়েবসাইট গুলো ব্রাউজিং করতে হবে। ওয়েবসাইট ভিজিট করার সময় আপনার ব্রাউজারের Address Bar এর বাম কোনায় ছোট বৃত্তের মধ্যে (i) এবং ছোট তালা চিহ্নিত অংশে একবার ক্লিক করলে দেখতে পারবেন ওয়েবসাইটটি Secure Connection কি না..
  • পর্ণো ছবিতে যাদের আশক্তি আছে তাদেরকে বিশেষভাবে সাবধান করছি। কারণ বেশিরভাগ পর্ণো ভিত্তিক ওয়েবসাইটগুলি তাদের ভিজিটরদেরকে ব্লাকমেইল করার উদ্দেশ্যে তাদের কন্টেন্টগুলো প্রস্তুত রাখে। তাদের চাকচিক্যে ভরা এসব কন্টেন্টগুলোতে যুবক থেকে শুরু করে প্রায় সকলেই আকৃষ্ট থাকে। এজন্য ওরাও এ সুজোগটা কাজে লাগায় বিভিন্ন সন্ত্রাসীমূলক বা হয়রানীমূলক বা অবৈধ কোন কাজের জন্য। পর্ণো সাইট ভিজিটের সময়ই আমাদের বেশিরভাগ ডিভাইসের তথ্য অসাধুচক্রের হাতে চলে যায়। যা আমরা বুঝতেই পারি না।
  • অপরিচিত লোকের বা সংস্থার যাদের নাম কোথাও শোনেননি এধরনের লোক বা প্রতিষ্ঠানের সেন্ড করা মেইল ওপেন না করাই ভাল। এতে হ্যাকাররা আপনার মেইলকে এবং পরবর্তীতে আপনার ডিভাইসকে সহজেই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিতে পারে। 
আমার পোষ্টগুলি যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে কমেন্ট করুন এবং নিয়মিত ভিজিট করুন
আমার ফেসবুক পেজে লাইক দিন

All Rights Reserved by
https://mozammelhr.blogspot.com